.
Published: Tue, Dec 4, 2018 2:51 AM
Updated: Mon, Nov 18, 2019 3:09 PM


ফোন করে জানালো যে সে বিয়ে করবে । Taslima Marriage Media

By Admin

ফোন করে জানালো যে সে বিয়ে করবে   । Taslima Marriage Media

এক বন্ধু ফোন করে জানালো যে সে বিয়ে করবে।।


তার বিয়েতে অন্য বন্ধু কে স্বাক্ষী থাকতে হবে।
এ ধরনের বিয়েতে মেয়ের অভিভাবকের সম্মতি থাকে না।
তাই ইসলামের দৃষ্টিতে এই বিয়ে সঠিক নয়।
স্বাক্ষী থাকাও অনুচিত।
প্রশ্নঃ পিতার অমতে পালিয়ে বিয়ে করা কি জায়েজ?
উত্তরঃ ইসলামে বিয়ের জন্য শর্ত হল-

ছেলে মেয়ের সম্মতিএক্ষেত্রে মেয়ের অনুমতি অবশ্যই থাকতে হবে।
. মেয়ের অবিভাবকের সম্মতি।
. দুইজন পুরুষ সাক্ষী।
. মেয়ের জন্য মোহর।সুতরাং পিতার অমতে পালিয়ে বিয়ে করা জায়েজ নয়।
ইসলামে গোপন বিয়ের কোন বিধান নেই।
রাসুল (সঃ) বলেন-=> “অবিভাবক ও দুইজন বিশ্বস্ত সাক্ষী ছাড়া কোন বিয়ে হবেনা।=>
“যে মহিলা তার অবিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করে, তার বিয়ে বাতিল, তার বিয়ে বাতিল, তার বিয়ে বাতিল । (তিরমিজি, আবু দাউদ থেকে হাদিস)
কিন্তু কোন মেয়েকে তার পিতা জোড় জবরদস্তি করে বিয়েও দিতে পারবেনা।
=> আব্দুর রাহমান ইবনে ইয়াজিদ বর্ণনা করেন- খিযামা নামক এক ব্যক্তি তার মেয়েকে তার অনুমতি ছাড়াই অন্যের সাথে বিয়ে দিয়ে দেন।
তার এ বিয়ে পছন্দ ছিলনা। এরপর রাসুল (সঃ) এর কাছে গেলে তিনি এই বিয়ে বাতিল করে দেন। (সহিহ বুখারি, বিবাহ অধ্যায়)
এখন প্রশ্ন হল, ইসলাম তো মেয়েদের স্বাধীনভাবে স্বামী পছন্দ করে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে, তাহলে যদি কোন মহিলা তার পছন্দমত পুরুষকে বিয়ে করতে চায়, তাহলে সে কি করবে?
এক্ষেত্রে, মেয়েটির দায়িত্ব ঐ ছেলেটির ব্যপারে তার পিতাকে প্রাণপণ চেষ্টা করে রাজি করানো।
এরপরেও রাজি না হলে তার দাদার মাধ্যমে রাজি করাতে হবে।
সেটাও না হলে শেষে ইসলামী রাষ্ট্রের কাজিবা রাষ্ট্র কৃতক নিযুক্ত বিচারকের কাছে ব্যপারটা তুলে ধরতে হবে।
এরপর বিচারক যদি মনে করে ছেলেটা উপযুক্ত, তাহলে তিনি নিজে অবিভাবক হয়ে বা অন্য কাউকে দায়িত্ব দিয়ে বিয়ের ব্যবস্থা করবেন।
উল্লেখ্য যে এক্ষেত্রে ছেলের উপযুক্তটা নির্ধারণ গুরুত্ত পূর্ণ।
যেমন-. ছেলেটি হারাম কাজে লিপ্ত থাকলে (যেমন- মদ্যপান; হোক সেটা মাঝে মাঝে বা নিয়মিত) তাকে বিয়ে করা যাবেনা।
বেশিরভাগ স্কলাররা ধূমপানকারীকেও হারাম কাজে লিপ্ত বলে আখ্যায়িত করেছেন।
. ছেলেটির ইসলামের মৌলিক কাজগুলো (যেমন- নামাজ, রোজা, জাকাত ইত্যাদি) পালন করতে হবে।

কারন যে নামাজ আদায় করেনা, সে কাফির। কাফিরকে বিয়ে করা যাবেনা।
=> রাসুল (সঃ) বলেছেন- “বান্দা এবং কুফুরীর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামায আদায় না করা”।
পিতা-মাতা সন্তানের জন্য সব সময় ভাল কিছুই চায়।

তাই সন্তানের উচিত পিতা মাতার কথা মান্য করা।


Register now to talk with your life parner.   Do you have account?   Login  
Categories: Marriage,
Tags: Islamic Matrimony site Bangladesh | Taslima Marriage Media, Matrimony Website in Dhaka | Taslima Marriage Media, mobile application for taslima marriage media, taslima marriage media, taslima marriage, bangla matrimonial website, Bangladeshi matrimonial, Best matchmaker website in Bangladesh, Bengoli matchmaker, Islamic matchmaker, Islamic marriage media, Islamic Matrimonial website service, Biye_shaadi, Bride_Groom
This post read 1009 times.
Taslima Marriage Media Blog